সব
* রমজান মাস রহমত, বরকত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস।
* রমজান আত্বশুদ্ধির এবং আত্মপোলব্ধির মাস।
* রমজানের সুশৃঙ্খল জীবন যাপন এবং ইবাদত বন্দেগী ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন এবং সুগার কমাতে সহায়তা করে।
* ডায়াবেটিস রোগীরা রোজা রাখতে পারবেন। তবে ২-৩ মাস আগে থেকে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রস্তুতি নিতে হবে।
* রোজার সময় নিজে ডায়াবেটিসের ওষুধ সমন্বয় করবেন না, এতে মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।
* রোজার সময় দিনে এবং রাতে সুগার মাপা উচিত, ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, এতে রোজার কোন ক্ষতি হয়না।
* সেহ্রীর খাবার সেহ্রীর শেষ সময়ের কিছু আগে খাওয়া উচিত। ইফতারের সময় বেশি চিনিযুক্ত খাবার খাবেন না।
* রোজার সময় দিনের বেলা অতিরিক্ত ব্যায়াম করা উচিত নয়। এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। হাইপো হলে রোজা ভেঙ্গে খেয়ে নিবেন। পরে কাযা আদায় করবেন।
* রোজার সময় রাতের বেলা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি (সম্ভব হলে ডাবের পানি), কম মিষ্টি রসালো ফল এবং পুষ্টি কর খাবার খাওয়া উচিত।
* ডয়াবেটিস রোগীদের সার্বিক কল্যাণের জন্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধব এবং প্রচার মাধ্যম গুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।
অধ্যাপক ডা: মো: ফরিদ উদ্দিন
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
এন্ডোক্রাইনোলজি (ডায়াবেটিস ও হরমোন) বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
শাহবাগ, ঢাকা।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি