সব
তাহিয়্যাতুল অযুর নামায (নফল):
অযু করার পর অঙ্গ শুকানাের পূর্বেই ২ রাকায়াত নফল নামায পড়া উত্তম। এই নামাযের অনেক ফজীলত, এমনকি এই নামায আদায়কারীর জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাওয়ার কথাও সহীহ হাসীসে বর্ণিত আছে। ফজরের নামাযের ওয়াক্ত বা কোন মাকরূহ কিংবা হারাম ওয়াক্তে এই নামায পড়া যাবে না।
তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ এর নামায়:
মসজিদে প্রবেশ করার পর মাকরূহ বা হারাম ওয়াক্ত না হলে ২ রাকায়াত সুন্নাত নামায পড়া যায়, এই নামাযকে তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ বলা হয়। মসজিদে প্রবেশ করে বসার পূর্বেই এই নামায পড়ে নেয়া উত্তম। তবে বসে পড়লেও আবার উঠে এই নামায পড়া যায় কিন্তু সওয়াব একটু কমে যায়। সময় কম থাকলে অথবা প্রবেশ করার পর সুন্নাত বা ফরয নামায পড়লে সেই ফরয বা সুন্নাতের দ্বারাই এই নামাযের হক আদায় হয়ে যায় এবং তার ছওয়াবও পাওয়া যায়। সময় কম বা নিষিদ্ধ সময় হওয়ার কারনে এই নামায পড়তে না পারলে এর বিকল্প হিসেবে নিচের দোয়াটি ৪ বার পড়ে নেওয়া ভাল
سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر .
সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি, অলাইলাহা ইল্লাললাহু ওয়াআল্লাহু অকবার’।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি