সব
চাশতের নামায বা সালাতুদ দুহা (নফল):
চাশত ফারসী শব্দ। হাদীসে উহাকে সালাতুদ দুহা বা দুহার নামায বলা হয়েছে। আরবীতে বেলা বাড়াকেই দুহা বলে। ইশরাকের নামাযের পর হইতে ঠিক দ্বিপ্রহরের পূর্ব পর্যন্ত চাশত নামাযের ওয়াক্ত থাকে। এই সময়ের মধ্যে নবী করিম (সা:) কিছু নফল নামায পড়েছেন এবং উম্মতকেও পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নামায কমপক্ষে ২ রাকায়াত। কিন্তু ৪ রাকায়াত পড়াকে উত্তম বলা হয়েছে। আর বেশীর মধ্যে ১২ রাকায়াত পর্যন্ত পড়া যায়। সাধারণত সকালের দিকে পড়া হলে ইহাকে ইশরাকের নামায এবং শেষের দিকে পড়লে চাশতের নামায বলা হয়ে থাকে।
চাশত নামাযের ফযীলত: চাশতের নামায ২ রাকায়াত পড়লে তাকে গাফেলদের তালিকাভূক্ত করা হয় না। ৪ রাকায়াত পড়লে তাকে আবিদীন বা ইবাদতকারীদের তালিকাভূক্ত করা হয়। ৬ রাকায়াত পড়লে ঐ দিন তার নফল ইবাদতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়। আর ১২ রাকায়াত পড়লে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন। (তারারানী, মাজমাউজ জাওয়ায়িদ)
যাওয়াল নামায় (নফল):
যাওয়াল শব্দের অর্থ সরে যাওয়া। শরীয়তের পরিভাষায় সূর্য মধ্য আকাশ হতে যখন একটু ঢলে পড়ে তখন ঐ সময়কে যাওয়াল বলা হয়। যাওয়ালের সময় থেকে নিয়ে যােহরের নামাযের ওয়াক্ত আরম্ভ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যাওয়ালের নামাযের সময় থাকে। রাসুল (সা.) এক সালামেই উক্ত সময়ে ৪ রাকায়াত নামায আদায় করতেন।
যাওয়াল নামাযের ফযীলত: হযরত আবু আইয়ুব আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- যে ব্যক্তি যােহরের পূর্বে ৪ রাকায়াত নামায আদায় করবে, যার মধ্যেখানে সালাম ফিরানাে থাকবে না তার জন্য আসমানের দরজাসমূহ ভােলা হয়ে থাকে (আবু দাউদ, ইবনে মাযাহ)।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সায়িব (রা.) বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) সূর্য ঢলে যাওয়ার পর যােহরের পূর্বে ৪ রাকায়াত নামায আদায় করতেন এবং বলতেন- এটা এমন সময় যখন আসমানের দরজাসমূহ খােলা হয়ে থাকে। অতএব, আমি ভালবাসি যে ঐ সময় আমার একটা নেক আমল আসমানে উঠুক (তিরমিযী)।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি