সিলেটে নির্মিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল

;
  • প্রকাশিত: ৮ মে ২০২২, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৪ বছর আগে

সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল বিমানবন্দরের আদলে নির্মিত হচ্ছে। নবনির্মিত এ টার্মিনাল সিলেটের আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। আগামী জুন মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান।

সরেজমিনে ঘুরে ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের অনেকাংশ এক সময় ছিল ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। এ স্থানেই নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাস টার্মিনাল। উপরে ইট রং এর স্টিলের টিনের ছাদ, কারুকার্যময় লাল ইটের দেয়াল, গাছপালা আবৃত গ্রীণজোন, বিমানবন্দরের আদলে আলাদা বাস ডিপারচার ও অ্যারাইভাল এবং যাত্রীদের জন্য প্রায় ১৫শ’ সিটের বিশাল ওয়েটিং লাউন্সের সুবিধা রয়েছে এ টার্মিনালে।

নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, পুরো টার্মিনালের নির্মাণ কাজ তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে পার্ট-১-এ অবস্থিত ডিপারচার বিল্ডিংয়ের দৈর্ঘ্য সাড়ে ৩শ’ ফুট। এই পার্টে ৪৮টি ‘বাস বে’র সাথে রয়েছে ৯৭০ সিটের যাত্রী বসার সুবিধা সম্পন্ন বিশাল হল। রয়েছে ৩০ সিটের ভিআইপি কক্ষ, ৩০টি টিকেট কাউন্টার ও ৫০ জন মুসল্লী ধারণ ক্ষমতার নামাজ কক্ষ। পুরুষ মহিলাদের পৃথকসহ প্রতিবন্ধীদের ব্যবহার উপযোগী ৬টি টয়লেট জোন। হুইল চেয়ার নিয়েও যে কেউ টয়লেট ব্যবহার করতে পারবেন। উপরে উঠার জন্য রয়েছে-লিফ্ট এবং খাবারের জন্য রেস্টুরেন্ট ও ফুড কোর্ট। থাকবে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়া যাত্রীর জন্য সিক বেড, দুগ্ধপোষ্য শিশুদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং জোন।

পার্ট-২-এ এরাইভাল বিল্ডিং-এ একই ভাবে প্রায় ৩শ ফুট দৈর্ঘ্যের। ডিপারচার বিল্ডিং এর মতো এখানে রয়েছে বাস বে, যাত্রীর বসার জন্য ৫১০ সিটের ওয়েটিং স্পেস ও ৩০ সিটের ভিআইপি কক্ষ, আধুনিক টয়লেট সুবিধা, সিক বেড, ব্রেস্ট ফিডিং জোন, লিফ্ট, রেস্টুরেন্টসহ যাত্রীদের সকল সুযোগ সুবিধা। পার্ট-১ ও পার্ট-২ এর মাধ্যমে ডিপারচার ও এরাইভাল আলাদা করা হলেও করিডোরের মাধ্যমে পুরো স্ট্রাকচার একটি সার্কুলার বিল্ডিং-এ পরিণত হয়েছে। এই বিল্ডিং এর পশ্চিম-দক্ষিণ কর্ণারে সড়কের সাথে গোলাকার ৫ তলা টাওয়ার বিল্ডিং-এ রয়েছে টার্মিনাল পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা অফিস। যেখানে থাকবে পুরো টার্মিনালের সিকিউরিটি কন্ট্রোল ও সিসিটিভি মনিটরিং কক্ষ, পুলিশ কক্ষ এবং পর্যটন অফিস।
টার্মিনালের পিছনের দিকে পার্ট-৩-এ নির্মিত হয়েছে একটি মাল্টিপারপাস ওয়েলফেয়ার সেন্টার। যেখানে মালিক ও চালক সমিতির জন্য থাকবে ২৪ বেডের বিশ্রাম কক্ষ, গোসলের ব্যবস্থা, অফিস, লকার ব্যবস্থা, ক্যান্টিন এবং মিটিং ও অনুষ্ঠানের জন্য বিশাল মাল্টিপারপাস মিলনায়তন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি