সব
সিলেটের কৃতিসন্তান, সাবেক অর্থমন্ত্রী, সিলেট-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল মাল আব্দুল মুহিত নিজের বাড়িতেই আছেন- কিন্তু আছেন নিথর দেহে। সাদা কাফনে জড়ানো অবস্থায় বরফমোড়া কফিনের ভেতর। সবাই শুধু অশ্রুসজল চোখে শেষবারের মতো তাকে দেখে নিচ্ছেন, কিন্তু তিনি কারো সঙ্গে কথা বলার কিংবা করমর্দনের ঊর্ধ্বে।
সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছে ৮৮ বছর।
শনিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে মুহিতের মরদেহ সিলেট এসে পৌঁছেছে। সড়কপথে সিলেটে আসে লাশ। পরে নিয়ে যাওয়া হয় নগরীর হাফিজ কমপ্লেক্সে। তবে লাশ আসার আগে থেকেই সেখানে দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হন। লাশ আসার পর সেখানে এক শোকাবহ পরিবেশের তৈরি হয়।
রাতে হাফিজ কমপ্লেক্সেই রাখা হয়েছে মরদেহ। সিলেটের মানুষ তাকে একনজর দেখে নিচ্ছেন শেষ দেখা।
লাশ আসার আগেই শনিবার বিকেলে আকাশপথে সিলেট এসে পৌঁছান সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের এমপি ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শনিবার রাতে লাশের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় সিলেট আসতে চেয়েছিলেন মুহিত ভাই। আমাকে বলেছিলেন তাকে নিয়ে আসতে।’
রবিবার দুপুর ১২টায় তাঁর মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে। পরে বেলা ২টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে। জানাজা শেষে সিলেট নগরীর রায়নগরস্থ পারিবারিক গোরস্তানে মা-বাবার পাশে তাকে দাফন করা হবে।
সাবেক অর্থমন্ত্রীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে। শনিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটে নানা শ্রেণি–পেশার মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় জানাজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় শনিবার বেলা ২টায়। এর পরপরই সেখান থেকে মরদেহ সিলেটের পথে রওয়ানা হয়।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি