সব
সিলেটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, সারাদেশের আদালতগুলোতে যে মামলার জট লেগেছে সে তুলনায় বিচারকের সংখ্যা কম। আর এতো অল্প সংখ্যক বিচারক দিয়ে এসব মামলা নিষ্পত্তি করতে হলে বহু সময় লাগবে। বিচারিক দীর্ঘ সূত্রিতার কারণে সমাজের নিরীহ নির্যাতিত বিত্তহীন মানুষ গুলোর জন্য আইনী ন্যায় বিচার প্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিনামুল্যে অসহায়দের আইনী সেবা দানের কার্যক্রম চালু করেছেন। এর সুফল পাচ্ছে মানুষ। লিগ্যাল এইড কমিটি আছে জেলা উপজেলায়। এসব কমিটির মাধ্যমে মানুষকে বিনামূল্যে আইন সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি জটিল বিষয়ও দু পক্ষের মধ্যে সমঝোতায় নিষ্পত্তি করা যায়। আর সমঝোতাই হচ্ছে সমাজে শান্তির মুল। এজন্য সকল পেশার মানুষদেরকে আইনী সেবা প্রদানের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার ( ২৮ এপ্রিল) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ ২০২২ উপলক্ষে সিলেটে আয়োজিত শোভাযাত্রা পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা ফাইরুজ তাসনীম এর প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনায় অংশ নেন। মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল, সিলেট এর বিচারক মো. সাইফুর রহমান, সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলাম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, মাননীয় পাবলিক প্রসিকিউটর নিজাম উদ্দিন, সরকারী কৌসূলী এডভোকেট মো; রাজ উদ্দিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মাহফুজুর রহমান। অনুষ্ঠানের শূরুতে লিগ্যাল এইড কমিটির দুজন প্যানেল আইনজীবীকে সেরা হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তাদেরকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এরা হলেন এডভোকেট রুহিনা বেগম ও এডভোকেট মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
আলোচনার পূর্বে দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা আদালতপাড়া প্রদক্ষিণ করে।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি