ইশরাকের নামাযের সময় ও ফয়ীলত: মোহাম্মদ আব্দুল মালিক (পারভেজ)

;
  • প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২২, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৪ বছর আগে

ইশরাকের নামায় (নফল): ইশরাক অর্থ উজ্জল হওয়া, সুর্য উজ্জ্বল হয়ে উদিত হওয়া। সুর্যোদয়ের পর ২ বা ৪ রাকায়াত নফল নামায পড়া হয়, ইহাকে ইশরাকের নামায বলে। সুর্য উদয়ের আনুমানিক ১০-১৫ মিনিট পর থেকে ইশরাকের ওয়াক্ত আরম্ভ হয় এবং বেলা এক প্রহর পর্যন্ত থাকে। 

ইশরাকের নামাযের ফয়ীলত: এ প্রসঙ্গে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়ে সুর্যোদয় পর্যন্ত জিকির আযকার, দোয়া দরুদ বা তাসবীহ তিলাওয়াতে লিপ্ত থাকবেন এবং পরে ওয়াক্ত মত ২ রাকায়াত নামায পড়বেন তার জন্য রয়েছে টি হজ্জ ও ১টি ওমরাহ পালনের পূর্ণ সওয়াব-(তিরমিজী)। ইশরাকের নামায ওয়াক্তের শুরুতেই পড়ে নেওয়া উত্তম। ফজরের নামায আদায়ের পর সেই স্থানেই বসে থেকে দুনিয়াবী কোন কথা বা কাজে লিপ্ত না হয়ে বরং দোয়া দরুদ, তাসবীহ, তিলাওয়াতে মশগুল থেকে সময় মত এই নামায আদায় করার মধ্যেই ছওয়াব সবচেয়ে বেশী। তবে দুনিয়াবী কথাবার্তা বা কাজে লিপ্ত হয়ে গেলেও সময়ের মধ্যে এই নামায আদায় করা যায়, তবে তাতে সওয়াব একটু কম পাওয়া যায়। ইশরাকের নামায একটি নফল এবাদত এবং যে কোন সুরা দিয়ে নামায় পড়া যায়। 

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি